করোনা ভাইরাস বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। তার প্রভাব বাংলাদেশেও। সে কারণেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বাষির্কীর অনুষ্ঠান পালন করতে হচ্ছে ভার্চুয়ালি। একসঙ্গে অনলাইনে করছি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ইশতেহারের কারণেই এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটা করা না হলে আজ সুযোগটা পেতাম না।
বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই সভায় প্রধানমন্ত্রী যুক্ত হন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সভায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা পাঠ করেন সাবেক মন্ত্রী সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর।
অনুষ্ঠানে মুক্তির মহানায়ক শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল চিত্রকর্ম ও আলোচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।
শোকাবহ যন্ত্র সংগীত দিয়ে সভা শুরু হয় এবং শ্রদ্ধা সংগীত দিয়ে শেষ হয় স্মরণসভা।